টামনা থানা এলাকায় গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু: স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ মায়ের
নিজস্ব সংবাদদাতা :পুরুলিয়া:
পুরুলিয়ার টামনা থানা দুলমি নডিহা এলাকায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত গৃহবধূর নাম পায়েল লাই। এই ঘটনায় মেয়ের স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ভাসুরের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত খুনের অভিযোগ দায়ের করে ছিলেন গত 12-5-26 তারিখে নিহতের মা রিঙ্কু চ্যাটার্জী।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি দুলমি নডিহা এলাকার বাসিন্দা উত্তম লায়ের ছেলে অনুপম লায়ের সাথে বিয়ে হয় পুরুলিয়া শহরের বাসিন্দা রিঙ্কু চ্যাটার্জীর মেয়ে পায়েল লাই এর। ২০২৩ সালে তাঁদের একটি কন্যাসন্তানও জন্মায়। নিহতের মায়ের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্বামী অনুপম লাই, শ্বশুর উত্তম লাই, শাশুড়ি যশোদা লাই এবং ভাসুর শুভম লাই মিলে পায়েলের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাত।
গত ১২ মে (২০২৬) সকাল আনুমানিক ৪টে নাগাদ পায়েলের শ্বশুর উত্তম লাই ফোন করে রিঙ্কু দেবীকে তাঁদের বাড়িতে ডাকেন। তিনি সেখানে গিয়ে দেখেন পরিবারের বাকি সদস্যরা উঠানে বসে আছেন। মেয়ে কোথায় জানতে চাইলে প্রথমে তাঁকে চলে যেতে বলা হয়। পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের উপস্থিতিতে চাপ সৃষ্টি করা হলে, ভাসুর শুভম লাই তাঁকে বাড়ির চিলেকোঠায় নিয়ে যান।
সেখানে গিয়ে দেখেন, চিলেকোঠার লোহার পাইপের সাথে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় পায়েলের দেহ ঝুলছে। নিহতের পা দুটি চৌকির সাথে অর্ধ-মোড়া অবস্থায় ঠেকেছিল। এই দৃশ্য দেখে রিঙ্কু দেবীর দাবি— জামাই, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ভাসুর মিলে তাঁর মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুন করার পর দেহটি ঝুলিয়ে দিয়েছে। এই পুরো ঘটনার অভিযোগের পরেই পুলিশ তদন্ত চালিয়ে স্বামী অনুপম লাইকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ, সেই সময় থেকে পলাতক ছিল বাড়ির সকলেই পুলিশ গোপন সূত্রের খবর পেয়ে বাঁকুড়া থেকে শশুর ও ভাসুরকে গ্রেপ্তার করে পুরুলিয়াতে নিয়ে আসেন এবং ধৃত দুজনকে এদিন পুরুলিয়া আদালতে পেশ করে টামনা থানার পুলিশ
[16:11, 7/7/2026] Koncept:
