কার্গিল
বিজয় দিবসের দিনে সাড়ম্বরে হয়ে গেল উত্তরায়ণ আয়োজিত জেলাব্যাপী বসে আঁকো প্রতিযোগিতা
পুরুলিয়া জেলার জনপ্রিয় সামাজিক সংস্থা 'উত্তরায়ণ' -এক নতুন দিশার দশমবর্ষ জেলাব্যাপী একদিবসীয় বসে আঁকো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় রবিবার, ২৬ জুলাই শহর পুরুলিয়ার দুলমী দূর্গামন্দিরে। জেলা পুরুলিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৪৩৫ জনের বেশি প্রতিযোগী এই প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে। এদিন সকাল ৯ টা থেকে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। চলে এগারোটা পর্যন্ত। সহযোগিতায় হোটেল হার্ট। এই প্রতিযোগিতার বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন পুরুলিয়ার বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ধ্রুব দাসের সুযোগ্য পুত্র রাহুল দাদ এবং সীমা লাহা। উত্তরায়ণের সম্পাদক ড. ব্রতীন দেওঘরিয়া জানান, 'সামাজিক কাজ যেমন উত্তরায়ণ করে তেমনই সাংস্কৃতিক দিক নিয়েও কাজ করে আসছে দীর্ঘ দশ বছর ধরে। শিশুদের অতিরিক্ত পাঠক্রমে উৎসাহিত করতে এই বসে আঁকো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। আমাদের এই উদ্যোগে জেলাজুড়ে বিশাল পরিমান ছেলে-মেয়ে অংশ গ্রহণ করেছে। আমরা আনন্দিত।' ব্রতীন বাবু বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন দুলমী দূর্গা মন্দিরের সকল কার্যকর্তাদের। বিশেষত দীপু সরকার ও অপু সরকারকে সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করার জন্য। এছাড়াও ধন্যবাদ জানান বিচারক মন্ডলী সহ উত্তরায়ণের সকল সদস্যদের।' উত্তরায়ণের পক্ষ থেকে সম্পাদক ড. ব্রতীন দেওঘরিয়া ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তরায়ণের সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিশিষ্ট সভ্যজন হিসাবে শুভাশিস নিয়োগী, , মানস ব্যানার্জি, দুলাল রজক, রূপা মজুমদার, নিবেদিতা মুখার্জি, দয়াময় রায়, মুজিবর রহমান আনসারী, অনামিকা দেওঘরিয়া, জীৎ সরকার, অনির্বাণ ভাদুড়ি, মৌমিতা দাস, সহ অনেকেই। ছেলে মেয়েরাও এরকম এক বিশাল আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পেরে ভীষণ আনন্দিত। এই প্রতিযোগিতায় উত্তরায়ণের পাশে থাকা বিভিন্ন সংস্থা ও গুনীজন যারা উত্তরায়ণকে সব সময় ভালোবাসেন ও বিভিন্ন কাজে পাশে থাকেন তাদেরও ধন্যবাদ জানান সম্পাদক মহাশয়। সব মিলে একটি সুন্দর পরিকল্পনার জন্য খুশির হাওয়া জেলাজুড়ে।
