পিছিয়ে পড়েও বাজিমাত! বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ক্লাসের কাছে পরাজিত ইংল্যান্ড
ওয়েম্বলিতে ৯০ মিনিটের টানটান উত্তেজনা, পাঁচটি গোল, নাটকীয় প্রত্যাবর্তন আর শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত জয়! ইংল্যান্ডকে তাদের ঘরের মাঠে ৩–২ গোলে হারিয়ে UEFA Nations League-এর নতুন অভিযান জয় দিয়ে শুরু করল স্পেন।
খেলা শুরুর মাত্র ২ মিনিটেই লামিনে ইয়ামাল গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন। ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে স্পেন পেয়ে যায় ক প্রথম গোল।
কিন্তু পিছিয়ে পড়েও ঘরের মাঠে হাল ছাড়েনি ইংল্যান্ড। দ্রুত ম্যাচে ফিরে আসে থ্রি লায়ন্সরা। ৩৬ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডন গোল করে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান। এরপর মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে আবারও গোল!৪০ মিনিটে হ্যারি কেনের গোলে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য পুরো ম্যাচের চিত্রটাই বদলে যায়। পিছিয়ে থাকা স্পেন আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। মাঝমাঠে পাসিং ও বলের নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়ে একের পর এক আক্রমণ তৈরি করতে থাকে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এরপর আসে স্পেনের দুর্দান্ত কামব্যাক,
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বদলি হিসেবে মাঠে নামা আলেক্স বায়েনা স্পেনকে সমতায় ফেরান। স্কোরলাইন হয় ২-২। ম্যাচ আবার চলে আসে সমানে সমানে।
এরপর ৭৪ মিনিটে মিকেল ওয়ারিয়াজাবাল স্পেনের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন। আর সেই গোলই শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে ম্যাচের জয়সূচক গোল। ২–১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর ৩–২ গোলে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয় স্পেন।
শেষদিকে ইংল্যান্ড মরিয়া হয়ে সমতা ফেরানোর চেষ্টা করে। অতিরিক্ত সময়েও চাপ তৈরি করে তারা। কিন্তু স্পেনের রক্ষণ শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল হজম করেনি। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই নিশ্চিত হয় স্পেনের রোমাঞ্চকর জয়।
এই জয়ের মাধ্যমে ২০২৬/২৭ (UEFA Nations League-এর League ) গ্রুপ এ এর প্রথম ম্যাচেই গুরুত্বপূর্ণ জয় পেল স্পেন। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় লন্ডনের ওইয়েম্বলি স্টেডিয়ামে।
২–১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও দ্বিতীয়ার্ধে দুটি গুরুত্বপূর্ণ গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে ফিরিয়ে নেয় স্পেন। বায়েনার সমতাসূচক গোলের পর ওয়ারিয়াজাবালের ৭৪ মিনিটের গোলই শেষ পর্যন্ত দুই দলের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।